দূর্ণীতির আরেক নাম বিদ্যুত বিভাগ

দূর্ণীতির আরেক নাম বিদ্যুত বিভাগ

এস আর শাহ আলম

দূর্ণীতির আরেক নাম বিদ্যুত বিভাগ যাহা সরকারি দপ্তরকর্মকর্তাগন জানলেও এর কোন প্রতিকার নেই, যার কারনে দুদক ও এর বিরুদ্বে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না,ফলে দিনের পর :দিন বিদ্যুত বিভাগে দূর্ণীতি বেরে চলছে,এমন তর্থ্যের অভিযোদের বৃত্বিত্তে আমাদের এই প্রতিবেদক বিদ্যুতের দূর্ণীতি বের করতে অনুসন্দানে মাঠে নামলে বেরিয়ে আসে ডিজিটেল বাংলার বিদ্যুতের বিশাল চুরি যেই চুরিতে :পৃষ্ট হচ্ছে সাধারন মানুষ আর লাভবান হচ্ছে কর্মকর্তা গন সহ কিছু সাধারন কর্মচারি,আমরা প্রথমত অনুস্দান করে গোপনীয় ভাবে নাম প্রকাশে অনিহা জানিয়ে কিছু পি ডি পির কর্মচারিদের কাছ থেকে জানতে পাই যে বর্তমান প্রি প্রেইড মিটার ব্যবহার করতে সরকার জনগনের কেমন সুবিধা দিয়েছে তার সাথে বিদ্যুত ও জ্বালানী মন্ত্রি প্রি প্রেইড মিটার স্হাপন করে কি কি সুবিধা করেছিলো, কিন্তু সেই সব সরকারি সুবিধা থেকে জনগন বঞ্চিত তাহা অনেকেই জানত না, প্রি পেইড মিটারে যেমনি বিদ্যুত শাশ্রয় হয় তেমনি অপচয় কমে যার লক্ষ দ্বারা ছিলো বিদ্যুত লোড শেডিং কমানো,সরকার একটি নতুন মিটার স্হাপনের সাথে ল্যামপোষ্ট থেকে তার, একটি বক্স, এবং মিটার পরিবর্তে পুরনো মিটার নিয়ে আসবে, নতুন মিটারের জন্য কোন টাকা কর্তন করা হবে না অথচ সারা দেশের ন্যায় আমাদের চাঁদপুর। প্রি পেইড মিটার স্হাপন করে পুরনো তারের উপর এবং পুরোনো মিটারটি নিয়ে আসে, আর নতুন মিটার বাবদ প্রতি মাসে ৪০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে তাছারা,ফিটিং চার্জ বাবদ শ্রমিকদের মজুরির নামে ১ হাজার থেকে ১২ শ টাকা অথচ সরকার কি জানে জনগনকে দেওয়া মিটারের সাথের তার গুলি ও পুরনো মিটার গুলি কোথায় যাচ্ছে, এখানেই শেষ নয় কোন মিটার যদি ব্যবহারের জর্ন কিলো বাড়াতে হয়, সেখানে প্রতি কিলোতে সরকারি কোঠায় দের শ টাকা করে প্রতি কিলোতে জমা দিতে হয়, সেখানে পিডিপি প্রতি কিলোতে এক হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেবার ও গোপন তর্থ বেরিয়ে আসে,তার সাথে শ্রমিকমালিক দের বারতি মজুরি আমাদের চাঁদপুর মিল কারখানা বেশি বিশেষ করে পুরান বাজা যার কারনে কয়েক কিলো বিড়দ্যুত বাড়িয়ে ব্যবহার করতে গিয়ে ব্যবসায়িরা হাজার হাজার টাকা দিতে হয় পিডিপি কর্মকর্তা দের, এসব টাকার ভাগ বাটওয়ারা কি পিডিপির নির্বাহি প্রকশলি পাচ্ছেন নাকি তিনি সকল টাকা সরকারি কোঠায় জমা দিচ্ছেন সেটাও দেখার বিষয়,এইত গেলো পিডিপি,এবার যাওয়া যাক চাঁদপুর পল্লি বিড়দ্যুতের দিকে সেখানেও কম ড়দূর্ণীতি নয় তবে সেখানে চলে মিটার স্হাপন সংযোগের নামে ১৫-২০ হাজার টাকা যাহা অনেকেই অভিযোগ করেন, তার সাথে:২৪ ঘন্টার বিড়দ্যুত সরবরাহ হচ্ছ। ৮-১০ ঘন্টা, আরো আছে অতিরিক্ত বিলের কাগজ যাহা মানুষ কে জবাই করা হচ্ছে, কিন্তু এসব বিষয়ে পল্লি বিদ্যুত গ্রাহকরা অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পায়।না বলে গ্রাহকরা বলেন,এমন সুত্রে পাতে গত বুধড় বার সকালে চাদপুর মহমায়া এলাকা থেকে ৩০/৪০ জন গ্রাহক সদর ওয়াবদা খলিশাডুলি পল্লি বিদ্যুত অফিসে আসলে দড়ারোয়ান সহ কিছু কর্মচারি তাদের অভিযোদ না শুনে অফিসের সামনে থেকে গালমন্দ করে তারিয়ে দিলে রাস্তায় এসে গ্রাহকরা আন্দোলন করেন,খবর পেয়ে সাংবাদিকরা গেলে উপস্তিত অভিযোগকারিরা জরো হয়ে ঘিরে ধরেন, জানা যায় তাদের আগষ্ট মাসের বিদ্যুত বিল অতিরিক্ত হারে আসে তারা বলেন আমরা সমাদানের জর্ন্য এসেছি কিন্তু কোন প্রতিকার হয়নি বরং প্রায় মাসে আমাদের জবাই করে এর আগেও আমরা এমন ভোক্ত ভূগি হয়ে অতিরিক্ত টাকা জমা দিছি কিন্তু জি এম কিনবা এজি এম কোন ব্যবস্হা গ্রহন করেনি, এমন পরিস্হিতির অভিযোগের ভিডিও চিত্রটি সোনালী চাঁদপুর নিউজ ডট কম অন লাইন পত্রিকায় প্রকাশ করলে ব্যপক সারা পাওয়া গেছে তার সাথে গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই রেকট সৃষ্টি কারি অভিযোগের ভিডিও সংবাদটি ৪০ হাজার মানুষ দেখেছে তার সাথে ২২ শ সেয়ার আর কমেন্টে অভিযোগ ফরিদগঞ্জ র এক জন বলেন তার ঘরে মানুষ থাকলে বিল আসে ৩ শ আর ধরে তালামারা থাকলে বিল আসে ৭ শ, আসলে পল্লি বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল আদায়ের টাকা কি সরকারি কোঠায় জমা হচ্ছে,নাকি রাঘব বোয়ালদের পকেটে ডুকছে তাহা খুতিয়ে দেখার দরকার, এদিকে মহামায়া থেকে আশা ভোক্ত ভূগী গ্রাহকরা সেলিম বেপারি মিটার নং ৭-২৮১-১৯৭০ জুলাই মাসে ৪৮০ টাকা আঘষ্ট মাসে ৪৮১২ টাকা,দোলোয়ার মিটার নং ৭-২৮১-১৮৭৫ জুলাই মাসে ১৮০ আগষ্ট মাসে ৩৯৫৭ টাকা,জহিরুল মিটার নং ৭-২৮১-৩৮৭০ জুলাই মাসে ৯২২ আগষ্ট মাসে ৬০৭১ টাকা মনির হোসেন মিটার নং ৭-২৮১-৩৮৯০ জুলাই মাসে ১৮০ টাকা আগষ্ট মাসে ৩৫১৮ টাকা, আব্দুল হাসিম মিটার নং ৭-২৮১-৩৮৯০ জুলাই মাসে ৫৪২ আগষ্ট মাসে ৮৭০ টাকা, সুলতান মিজি মিটার নং ৭-২৮১-৪৬৫০ জুলাই মাসে ২৮০ টাকা আগষ্ট মাসে ১৪৫৩ টাকা, আরিফুর রহমান মিটার নং ৯-২৫১-১০৫০ জুন মাসে ২৩৮ আগষ্ট মাসে ১১১৭ টাকা,বাবুল বেপারি মিটার নং ৭-২৮১-২৪০০ জুলাই মাসে ৩০২ টাকা আগষ্ট মাসে ১৪০০ টাকা তাজউদ্দিন মিটার নং ১-২৮১-১৯০২ জুলাই মাসে ২০৮ টাকা আগষ্ট মাসে ৩৭৩৬ টাকা, শফিকুর রহমান মিটার নং ৭-২৮১-৪০৭০ জুলাই মাসে ১৭৭ টাকা আগষ্ট মাসে ১৯১৭ টাকা,রুহুল আমিন মিজি মিটার নং ১-২৮১-৪৫৩২ জুলাই মাসে ১২৩ টাকা আগষ্ট মাসে ৯৯৮ টাকা,মনির মিটার নং ১-২৮১-২২২৫ জুন মাসে ৫৫৩ টাকা আগষ্ট মাসে ১৩৬৬ টাকা,মুকসুদা বেগম মিটার নং ১-২৮১-১৪৪০ জুন ৯৩৮ টাকা আগষ্ট মাসে
২২০৮ টাকা মমিন খা মিটার নং ৭-২৮১-১৩১০ জুলাই মাসে ৫১৮ টাকা আগষ্ট মাসে ১০২৮ টাকা রেখা বেগম মিটার নং ১-২৮১-৬০৮১ জুলাই মাসে ১০২ টাকা আগষ্ট মাসে ২৪৫৮ টাকা, মিলন বেপারি মিটার নং ১-২৮১-৬০৮৯ জুলাই মাসে ২৭০ টাকা আগষ্ট মাসে ১৯৮৯ টাকা, আবুল কাশেম মিটার নং ১-২৮১-১২৩০ জুন মাসে ২০১ টাকা আগষ্ট মাসে ২০৭৭ টাকা এরা ছাড়া ও আরো অনেকে রয়েছে মহামায়া বাসি পল্লি বিদ্যুতের ছুরিতে জবাই হয়েছে,তাছারা জেলা জুরে পল্লি বিদ্যুতের এমন নদী গননের আরো অভিযোগ রয়েছে, তারা সেবার নামে লাখ লাখ গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত হারে বছরে কোটী টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, এর কোন প্রততিকার নেই এতে করে আগামি নির্বাচনে সরকারের উপর প্রকোট হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করেন আর তাই চাঁদপুর জেলার সকল এম পি দের দৃষ্টি কামনা করেছেন জেলাবাসি এই দর্ণীতি দমন না করল। সাধারন মানুষ সরকারের প্রতি বিশ্বাষ তারিয়ে ফেলবে,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD