ক‌রোনা রো‌ধে বাংলা‌দেশ পুলিশের কার্যক্রম সংক্রা‌ন্তে তথ্যাবলী:

ক‌রোনা রো‌ধে বাংলা‌দেশ পুলিশের কার্যক্রম সংক্রা‌ন্তে তথ্যাবলী:

নিউজ ডেক্স

১। করোনার বিস্তার রোধে সাধারণ মানুষের জন্য পুলিশ কী কী করেছেঃ

ক) স্বাস্থ্য পরামর্শ ও সরকারের নির্দেশনা প্রসঙ্গে জনসচেতনতামূলক প্রচারণাঃ

– বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ও আইইডিসিআর নির্দেশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত পরামর্শসমূহ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নানা ধরণের লিফলেট ও হ্যান্ডবিল প্রস্তুত করে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিতরণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি ইউনিট;

– সচেতনতামূলক নানা ধরণের ব্যানার তৈরি করে পুলিশের গাড়িগুলোতে লাগানো হয়েছে যেনো তা মানুষের চোখে পড়ে এবং মানুষ সচেতন হয়;

– দায়িত্বপালনরত পুলিশের গাড়িগুলো থেকে মাইকিং করা হয়েছে এবং হচ্ছে;

– মসজিদ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাউন্ড সিস্টেম কাজে লাগিয়ে মানুষকে রোগ সচেতনতা ও সরকারের নির্দেশনার বিষয়ে বার বার সচেতন করা হচ্ছে;

– লোকাল ক্যাবল টিভিতে প্রচার করা হচ্ছে;

– বাংলাদেশ পুলিশের কেন্দ্রীয় ফেইসবুক পেইজ ও চ্যানেলসহ পুলিশের সকল ইউনিটের নিজস্ব পেইজ বা চ্যানেলে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং হচ্ছে;

– বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পুলিশের সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে;

খ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে সহায়তাঃ

– শুরু থেকেই আইইডিসিআর, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সকল পুলিশি সহায়তা দেয়া হচ্ছে;

গ) সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নঃ

– নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি করোনার বিস্তার রোধে ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে পুলিশের সকল ইউনিট একযোগে কাজ করছে;

– সরকার যখনই যে নির্দেশনা দিয়েছেন তাৎক্ষণিকভাবে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমাদের সদস্যগণ নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে;

– সারাদেশে এ সংক্রান্তে পুলিশের কার্যক্রম সমন্বয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে পুলিশ হেডকোয়ার্টাসে এ বিষয়ে একটি ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে;

– আমি ব্যক্তিগতভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে, মোবাইল ফোনে এবং ক্ষুদে বার্তায় অপারেশনাল সকল কমান্ডারকে সময়ে সময়ে নির্দেশনা দিচ্ছি ও পরিস্থিতির আপডেট নিচ্ছি;

ঘ) হোম কোয়ারেনটাইন বাস্তবায়নঃ

– জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদেশফেরত মানুষ হোম কোয়ারেনটাইন মানছেন কি না তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা;

– পর্যাপ্ত সুরক্ষা আয়োজনের জন্য অপেক্ষা না করেও করোনার সংক্রমণ রোধ করতে পুলিশের সদস্যগণ স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিদেশ ফেরত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়েছে ও নিচ্ছে;

– অনেক ক্ষেত্রেই পাসপোর্টে উল্লিখিত ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি যা অত্যন্ত শঙ্কার বিষয়। এদের মধ্যে অনেককেই খুঁজে বের করে হোম কোয়ারেনটাইন মানতে বাধ্য করা হয়েছে;

– পুলিশের বিনীত আহবানে যারা সাড়া দেননি এবং সরকারের নির্দেশনা অমান্য করেছেন ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিয়েছে;

– হোম কোয়ারেনটাইনে থাকা ব্যক্তিদেরকে প্রণোদনা দিতে তাদের বাড়ি বাড়ি ‘ফ্রুট বক্স’ পাঠিয়েছে পুলিশ;

– আমাদের সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে লাল পতাকা/স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছে বাড়িতে;

– আমাদের সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পরিবারগুলোকে ও ফোন করলে যে কোন পরিবারকে প্রয়োজনীয় বাজার করে দিচ্ছে;

ঙ) গুজব সংক্রান্তে ব্যবস্থাঃ

– গুজব না ছড়াতে ইতোমধ্যে উল্লিখিত সকল উপায়ে আমরা ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছি এবং চালাচ্ছি;

– আমাদের সাইবার টিমসমূহ গুজব সনাক্তকরণে কাজ করছে;

– গুজব ও মিথ্যা ছড়ানোর অভিযোগে ইতোমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম থেকে এক চিকিৎসককে, রাঙ্গামাটি হতে ধর্মীয় পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীদেরকে, কিশোরগঞ্জে বিদেশফেরত এক ব্যক্তিসহ অনেককেই আইনের আওতায় এনেছি;

– গুজবরটানো লিংক ও আইডিগুলোকে সনাক্ত করে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসি’র নিকট প্রেরণ করা হচ্ছে;

চ) সাধারণ মানুষের মধ্যে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণঃ

– বিশ্বব্যাপী করোনারোধে সুরক্ষা উপকরণের স্বল্পতা রয়েছে। আমাদের দেশেও সীমাবদ্ধতার মধ্যেই পুলিশ নিজেদের জন্য মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লোভস প্রস্তুত করেছে এবং করছে। পুলিশ সদস্যদের মাঝে তা বিতরণের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ এ সকল উপকরণ সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিতরণ করছে;

– বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব উদ্যোগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত করে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করেছে পুলিশ;

– আমরা নিজেদের জন্য পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) প্রস্তুত করছি। নিজেদের মধ্যে বিতরণের পাশাপাশি তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসকসহ অন্যদের মধ্যেও বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছি।

ছ) সাধারণ মানুষকে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেঃ

– দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করেছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট;

– সাধারণ মানুষের অনুরোধে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়েও খাদ্য ও সেবা পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ সদস্যরা;

জ) রাস্তাঘাট, আবাসিক ও পাবলিক এলাকা জীবানুমুক্ত করণঃ

– রাস্তাঘাট, টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে করে এবং হাতে জীবানুনাশক ছিটিয়েছে পুলিশ;

ঞ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম স্থাপনঃ

– করোনার বিস্তার রোধে সারাদেশে পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম মনিটর, সমন্বয় ও সার্বক্ষণিক আপডেট গ্রহণের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপন করা হয়েছে ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম।

ট) রোগী ও সেবাদাতার নিরাপত্তা প্রদানঃ

– রোগী, চিকিৎসক ও অন্যান্য সেবাদাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে বাংলাদেশ পুলিশ।

ঠ) মৃতদেহ সৎকারে সহায়তাঃ

– পুলিশের সদস্যগণ সংক্রমনের ঝুঁকির মধ্যেই মৃতদেহের সৎকারে কাছে থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে পুলিশি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

২। পুলিশের নিজস্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা (সুরক্ষা উপকরণ, কোয়ারেনটাইন, চিকিৎসা)ঃ

– প্রতিটি ইউনিটে পুলিশ সদস্যদের জন্য মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লোভস ইত্যাদি সুরক্ষা ও জীবানুনাশক সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে;

– পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট নিজস্ব উদ্যোগে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস ও পিপিই প্রস্তুত করেছে;

– কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে;

– প্রতিটি ইউনিটে পুলিশ সদস্যদের জন্য কোয়ারেন্টাইনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে;

– আক্রান্ত হলে পুলিশ সদস্যদের জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থা পুলিশের হাসপাতালগুলোতে নেয়া হয়েছে;

৩। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন?

– আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা পেট্রোল, থানায় মামলা গ্রহণসহ পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে;

– সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং এর কারণে রাস্তাঘাট জনমানবশূণ্য হওয়ার সুযোগে যেনো কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে না পারে সে জন্য মোবাইল টহল জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

– গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হ্যান্ডেল করা হচ্ছে।

– করোনা বিস্তারের ঝুঁকি ও আতঙ্কের মধ্যে এবং রাস্তাঘাটে পুলিশের অধিক উপস্থিতির কারণে অপরাধের হার কমেছে।

– এই সময়ে যাতে জংগি তৎপরতা দেখা না যায় তার জন্য আমরা সজাগ আছি;

৪। দায়িত্ব পালনে পুলিশের বাড়াবাড়ির ক্ষেত্রে গৃহীত ব্যবস্থা (নির্দেশনা দিয়েছি, কথা হয়েছে ইউনিট কমান্ডারদের সাথে)

– পুলিশ সদস্যদের করণীয়- বর্জনীয় বিষয়ে আমরা SOP তৈরি করেছি;

– ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি করেছি;

– প্রত্যেক ইউনিটে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারন করে দিয়েছি;

– অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের অপারেশন চলমান আছে;

– পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য তাদের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন মাত্রায় কোনো না কোনোভাবে করোনার বিস্তার রোধে কাজ করছে। এটি সুষ্পষ্ট যে, পুলিশের প্রত্যেক সদস্য এই মুহূর্তে দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষের বৃহত্তর কল্যাণের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে;

– আমাদের হাজার হাজার পুলিশ সদস্য মাঠে কাজ করছে। হাজার হাজার ইন্টারঅ্যাকশন ও ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন। এর মধ্যে, কতিপয় ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে;

– এই বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিতে আসামাত্রই, আমি নিজে ফিল্ড কমান্ডারদের সাথে কথা বলেছি। তাদের সাথে একাধিকবার ভিডিও কনফারেন্সও হয়েছে। আমরা একাধিক লিখিত বার্তা দিয়েছি।

– সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ ২০২০ খ্রিঃ পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, বিনয় ও সহিষ্ণুতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আর নতুন কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।

– পাশাপাশি, যে সকল স্থানে পুলিশের আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সে সকল ইউনিট প্রধানকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৫। কতিপয় পুলিশ সদস্য কেনো বলপ্রয়োগ করেছেন?

– মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করেন তারা অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের যথেষ্ট সহযোগিতা পান না। এছাড়া আমাদের অনেকের মধ্যেই আইন ও সরকারি নির্দেশ না মানার প্রবণতা রয়েছে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থের বিষয়টিও অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়।

– এরকম পরিস্থিতিতে কাজ করতে গিয়ে পুলিশের সদস্যগণ প্রায়ই বাধার সম্মুখীন হন।

– সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং সংক্রান্তে সরকারি নির্দেশনা না মানায় সাধারণ জনগণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশের কঠোর ভূমিকার দাবী জানিয়ে আসছে;

– পাশ্ববর্তী দেশসমূহে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং ও সরকারি আদেশের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকাকে বাংলাদেশে অগনিত সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমর্থন জানিয়েছে;

– পুলিশ সদস্যগণ নিরন্তর করোনা ঝুঁকির মধ্যে কাজ করে চলেছেন, যা তাদের উপর একটি বাড়তি চাপ;

– এ সকল বিষয়, মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে থাকতে পারে।

৬। করোনা পরবর্তী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন হতে পারে?

– করোনা পরবর্তী জাতীয় ও বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত আইনি পন্থা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বাংলাদেশ পুলিশ।

মুজিববর্ষে, স্বাধীনতার এ মহান মাসে, আমি দৃঢ়চিত্তে বলতে চাই-

১৯৭১ এ যেমন আমরা কাধে কাধ রেখে দৃশ্যমান শত্রুর বিরুদ্ধে প্রাণপণ লড়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছি, তেমনি আমরা সমন্বিতভাবে এক হয়ে এ ক্রান্তিলগ্নে দেশ থেকে এ অদৃশ্য শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।

দেশের সম্মানিত নাগরিকদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ –

– দয়া করে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন;

– আইন মেনে চলে আমাদের সহায়তা করুন;

– আপনাদের যেকোন ধরনের সহায়তায় আমরা সদাপ্রস্তুত।

বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্য দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD