এস পি মিজানুর রহমান কে চাঁদপুর বাসি কখনো ভূলতে পারবে না

এস পি মিজানুর রহমান কে চাঁদপুর বাসি কখনো ভূলতে পারবে না

এস আর শাহ আলম

চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে দায়িত্বে থাকা এস পি মোঃ মিজানুর রহমান কে চাঁদপুর বাসি বিদায় জানালেও কখনো ভূলতে পারবে না এমন টাই মতামত ব্যক্ত করেন অনেকে।

কেনো না চাঁদপুর পুলিশের ইতিহাসে তিনি স্বর্ণাক্ষরে থাকবেন। তিনি ময়মনসিংহ জেলায় বদলী হলেও তাকে বহুদিন মনে রাখবে চাঁদপুর জেলার বাসিন্দারা।

তিনি বিগত তিন বছর চাঁদপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে দাযিত্ব পালন করেছেন সততা ও নিষ্টার সাথে, যার কারনে তাহার দীর্ঘ তিন বছরে এস পি শামসুন্নাহার পিপি এম,যিনি বর্তমানে গাজীপুর জেলার এস পি পদে আছেন, এর পরে এস পি জিহাদুল কবির বিপিএম পিপিএম যিনি আজ ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডি আই জি পদে দায়িত্ব পালন করছেন, এর পরে এস পি মাহবুবুর রহমান পিপিএম ( বার) চাঁদপুর পুলিশ সুপার পদে আসেন এখনো তিনি পুলিশ পদে রয়েছেন, এমন তিন জন সত নিষ্টাবান ও দক্ষ ন্যায় প্রতিক পুলিশ সুপারদের সাথে এক সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কাজ করেছেন মিজানুুর রহমান।

যদিও তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার পদে কাজ করেছেন তবুও তিনিই ছিলেন জনগণের দ্বার প্রান্তে, যার কারনে তিনি বিগত তিন বছরে চাঁদপুরের সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের দীগ নির্দেশনা দিয়ে জেলার বাল্য বিয়ে রোধ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ সহ শহরের যানঝট নিরশনের নিজেই মাঠে কাজ করেছেন।

তিনি ছিলেন হাস্য লজ্জ প্রকৃতির মানুষ খুব সহজেই সকল মানুষের মনকে জয় করে নিতেন, যার কারনে প্রতিটি মানুষের কাছে তিনি জনপ্রিয় ছিলো। তাহার লক্ষ ছিলো সকল পেশা জীবি মানুষদের এক তরিতে বসিয়ে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা, যাহা করতে তিনি দিন রাত এদিক সেদিক ছুটে গিয়ে কাজ করে তাহা সফলতা অর্জন করেছেন।

এছাড়া তার সময়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের বিশেষ সাফল্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ শ্লোগানের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মিজানুর রহমান,

পুলিশী কর্মজীবনের শত ব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও কত যে কী করার আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। করোনার প্রাণ ঘাতির সময়ের জেলার প্রতিটি থানার অফিসারদের সাথে সব সময় যোগাযোগ করেছেন ইন্টারনেট এর লেফটপের মাধ্যমে, তাছারা করোনার প্রভাব থেকে জেলাবাসিকে নিরাপদে রাখতে নিজেও মাঠে নামতেন, যার নজরদারিতে জেলাবাসির কাছে চমক সৃষ্টি করেছে।

একজন মিজানুর রহমার দেশের পুলিশ বাহীনির গর্ব তথা চাঁদপুর জেলা বাসির কাছেও ছিলো যার নেতৃত্বে ভিন্নতায় অনন্য হয়ে ফুটে উঠে ছিলো চাঁদপুর জেলা পুলিশ। ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ ও মাদক বাণিজ্যসহ সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলে তার সাহসী ভূমিকা নজর কাড়ে জেলা বাসির কাছে।

এছারা তিনি দরিদ্র, অসহায় এবং নির্যাতিত নারীদের ভোগান্তি লাঘবেও কাজ করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। মিজানুর রহমানের অনুপ্রেরনায় নির্যাতনের শৃঙ্খল ছিঁড়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামের অনেক দরিদ্র অসহায় নারী। দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন। ন্যায় বিচার পাইয়ে দিয়েছেন,

এছারা তিনি জেলার যে কোন অনুষ্টানে অংশ গ্রহন করতেন এবং তিনি শুরুতেই বলতেন

মাদকবিরোধী কর্মকান্ডে মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান নিয়ে জনবান্ধব হয়ে অবিরাম কাজ করে পুলিশ কে সহযোগীতার আহবান জানাতেন। তাছারা ইউনিয়নগুলির পাড়া-মহল্লায়, গ্রামেগঞ্জে, স্কুল-কলেজে কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালিয়েছে মিজানুর রহমান

চাঁদপুর জেলার প্রতিটি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিংসহ সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার থেকে নিজের নেতৃত্বে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে গেছেন।

একই সঙ্গে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতেও কাজ করেছেন এই কর্মকর্তা। শুধু মানবিক গুণাবলির দিক দিয়েই নয়, পেশাগত দক্ষতায়ও তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেক দূর। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছানো, হতদরিদ্র অসহায় নারীদের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুলে স্কুলে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা তথা জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি রেখেছিনেন বিশেষ ভূমিকা।

যার ফলে এস পি পদে পদোন্নতি হয়েও বিগত এক বছর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে দায়িত্ব পালন করে আজ শিল্প পুুলিশ অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে ময়মনসিংহ
যোগদান করেন চাঁদপুর জেলা বাসিকে ছেরে। কিন্তু জেলা বাসি কি আজও ভূলতে পেরেছে এমন একজন মহানুভূতি মানব প্রেমি মানুষ টিকে।

তিনি চাঁদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব করে গড়ে তুলেনে। তিনি পুলিশি সেবা এক রকম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে
তিন বছর দায়িত্বে থাকাবস্থায় তিনি শক্ত হাতে এখানকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন।

তিনি অপরাধী গ্রেফতারে একের পর এক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং নিরঅপরাধ মানুষদের হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সকল থানার অফিসার নির্দেশ দিতেন এরফলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সাফল্য অর্জিত হয়। প্রায় সকল কার্যক্রমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করায় তার এ অভিযান জনমনে প্রশংসিত হয়। তবে তার এ সাফল্যের পেছনে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, তিনি আইনশৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণী-পেশার লোকজনকে একত্রিত করে জনবান্ধবে পরিণত করা।

বিদায় উপলক্ষে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর নানা কাজের প্রশংসা করে। অনেকেই নিজেদের ফেসবুকে নিজের ওয়ালে তারা লিখিছেন মানুষের সেবা করেই এই খ্যাতি অর্জন করেছেন এমন মানুষটির জন্য অবিরাম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং শুভকামনা রইল যাহা ছিলো লক্ষনীয়।

এই মহান মানুষটির জন্য। আমরা চাইলেই এই সমাজ তথা দেশকে বদলে দিতে পারি। আমরা চাইলেই একটা পরিবর্তন আনতে পারি। যে পরিবর্তনের শুরুটা হতে পারে যদি চাঁদপুর বাসির আশা আকাংক্ষা হয় এস পি মিজানুর রহমান চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার হয়ে আসেন। এমন টাই মতামত ব্যক্ত করেন জেলাবাসি,

তাই মানোনীয় শিক্ষা মন্ত্রীর কাছে চাঁদপুর জেলাবাসির আবেদন এস পি মিজানুর রহমান কে যেনো আবারো চাঁদপুর বাসির সেবা করতে পুলিশ সুপার পদে দায়িত্ব দিযে আনা হউক।

আজ তিনি ময়মনসিংহের মানুষের কল্যাণে অবিরাম কাজ করে গেলেও এস পি মিজানুর রহমান কে চাঁদপুর বাসি ভূলেনি।

এখানেই শেষ নয় আমরা আবার আসবো এস পি মিজানুর রহমানের চাঁদপুরের তিন বছরে আইনি সেবার কথা নিয়ে, একের পর এক প্রকাশিত হবে, সবাই ভালো থাকুন সুস্হ্য থাকুন স্বাস্হ বিধি মেনে চলুন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD