এ সম্মান অনেক বড় প্রাপ্তি। আনন্দ অশ্রু ইমাউল হক পিপি এম

এ সম্মান অনেক বড় প্রাপ্তি। আনন্দ অশ্রু ইমাউল হক পিপি এম

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিত্ত, ভৈবব, প্রভাব,প্রতিপত্তি,রাজত্ব,বাদশাহী,তক্ত, শান ,শওকত,সুলতান-ই, দরবার,জমিদারী, এস পেতে অনেক বেগ পেতে হয়।নিজস্ব লোকজন, সামন্ত, চক্র নিয়ে চক্রাকারে ঘুরপাক খেতে হয়।প্রতিযোগিতার মাঠে শ্যাম মৈত্রীর বন্ধন কে খন্ড বিখন্ড করে অর্জন করতে হয়।কিন্ত তাতেও তৃপ্তি আসে না ।বিচার অবিচারের দ্বন্দ্ব চক্রে এসব পাওয়া ক্লেদ সহ্য করতে হয় বংশ পরস্পরায়।

নিজের যোগ্যতার যতটা দরকার না হয় তার চেয়েও বেশী লাগে সামন্ত বাদী মনোভব।অনেক সময়ই শক্তি আর লাঠির পাল্লা দিয়ে শৈলেন বাহিনীর মত দখলের অবস্থান জানান দিয়ে শুরু হয় উপরে পদাবলী কৃত্তি পাওয়ার জন্য।

কিন্ত, একেবারেই কিন্ত!,পুরোটাই ভিন্ন।
মান,সম্মান,আসন,চেয়ার, মর্যাদা,গৌরব, নাম,ধাম ,খ্যাতি সব সময়ই পাওয়া যায় না।যোগ্যতা,সখ্যতা, বন্ধুত্ব, বীরত্ব,মেধা, থাকলেও কপালে লাগে।ঐশ্বরিক, কারিশমাটিক কিছু লাগে।

কপাল ভরা ভাগ্য আর বুক ভরা আশা, থাকলেও পৃথিবী ভরা আশীর্বাদ, গাম্ভীর্য সমান মন,বাতাসে ভরা ফুসফুস না থাকলে সম্মান পাওয়া যেমন যায় তেমনি দিতেও কেউ জানে।এক বাটি ভাতের পলিথিন ছুরে দিলে ক্ষুধার্ত হয়ত খেয়ে নিবে অবজ্ঞ আর অসম্মানের কষ্ট কপালে দেখা যাবে কিন্ত একটি বিস্কুট যদি টেবিলে বসিয়ে খাওয়ানো যায় তাতে চোখ জুরে সম্মানের স্বপ্ন প্রকাশিত হবে।

আর সম্মান, পুরস্কার দিতে মন থাকা লাগে,জ্ঞান থাকতে হয়,উপরন্ত ধ্যান ও ধারনার পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা লাগে।ইতিহাস জানা থাকতে হয় ,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার থাকতে হয়।দৃশ্যমান দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা বোধ থাকতে হয়।আশা,আখাংখা,
তুলে ধরে সমাজের সঠিক আসন চিহ্নিত করার যোগ্যতা থাকতে হয়।আর এ গুলো সবার থাকে না।
আর সম্মান কাকে,কখন,কি কারনে দিবেন যে বিষয়ে সম্যক ধারনা থাকতে হয়।যোগ্যতার বিচার করার অলৌকিক শক্তি যেমন দরকার তেমনি রুচিশীলতার পরিচয় দিতে হয়।কেরানীর কথায় আপনি একটি ধন্যবাদ পত্রে স্বাক্ষর করলেন অথচ আপনি যাকে দিলেন তার নাম ই জানলেন না বা কেন দিলেন তাও জানেন না।এ ভাবে হবে না।

মরণোত্তর সম্মান, পুরস্কার ,অবসরত্তোর ভাতা ,উপহার কেন দেয়।রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক দ্বায় থেকে বা দায়িত্ব থেকে।যেমন শোক বার্তা দেয় ।কোন ব্যাক্তি জীবিত না থাকলে সেই ব্যক্তির উত্তরাধিকার বা স্বজনদের নিকট পুরস্কার দিলে তারা যে কি খুশি আর ঐতিহাসিক কৃতজ্ঞ হয় তা কোন আচরন দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।

উপরের ভাষা হয়ত ঠিক হয়নি।ভুলে ভরা কথা গুলো লিখতে উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।কেন যে 35 তম বিএম এ long course এ গেলাম না।আফসোস হচ্ছে।
আর এই বাহিনীর নরমস,আচরণ, বদ্যান্নতা,উদারতা,ঐধার্য, আমাকে কি যে খুশি করছে তা না লিখে ঠিক থাকতে পারলাম না।
ঐতিহাসিক ও অনুপ্রেরনামুলক। অবশ্যই অনেক ই অনুসরন করবে হয়ত।
মাননীয়,কর্নেল দেওয়ান মোহাম্মদ তাছওয়ার রাজা কে সাত বছর কোমায় থাকা অবস্থায় পদন্নতি দেওয়া হয়েছে।একজন ইউনিফর্ম এর পরিবারের বা সদস্যদের কাছে কি যে আনন্দের তা প্রকাশ করা যাবে না।সাত বছরের কষ্টে আনন্দ অশ্রু।
আমি তো বটেই আমার ধারনা ইউনিফর্ম এর পরিবার বা সদস্য আবেগ আল্পত না হয়ে পারবে না।আর সাত বছর তাঁর চিকিৎসা র দায়িত্ব পালন এ পৃথিবীর ভার বহন করার সমান।এটি আরও দায়িত্বের।এ কাজের সাথে ব্যাক্তিগন যেমন মহানুভব তেমনই প্রতিষ্ঠাটি অতি গৌরবের।
এ দৃষ্টান্ত যেন শুধু উদাহরণ না হয়ে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দেশপ্রেম ধারন করার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকে সে আশা করি।আর তিনি যেন আল্লাহ র রহমত এ সুস্থ হয়ে উঠেন এই প্রার্থনা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD