অসুস্হ্য জেলেদের জন্য চাউল আনার সময় আটক করে চুরির অভিযোগটি বানোয়াট ছিলো – চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন।

অসুস্হ্য জেলেদের জন্য চাউল আনার সময় আটক করে চুরির অভিযোগটি বানোয়াট ছিলো – চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন।

এস আর শাহ আলম

চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ৫নং হাইমচর ইউনিয়নে মঙ্গল বার বিকেলে জেলেদের চাল আটক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন এর বিরুদ্বে চাউল চুরির ঘটনাটি সম্পূণ্য মির্থ্যে ও বানোয়াট তাহা বুধ বার হাইমচর নির্বাহী কর্মকর্তা সততার সাথে তদন্ত করেছেন এবং অসুস্হ্য জেলেদের মাঝে চাউল গুলি বিতরন করেছেন।

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ইউ পি চেয়ারম্যান বলেন আমি যদি চাউল চুরি করতাম তাহলে তিন শ কেজি চুরি করে বড়লোক হতাম না, টনে টনে চাউল চুরি করতাম, যেখানে টনে টনে চাউল চুরি করলাম না সেখানে তিন শ কেজি চুরি করার কথাটা অপ্র প্রচার আমাদের দলের হাইব্রিট কথিত নাম দ্বারি নেতারা আমার পিছনে ষড়যন্ত করছে, তারা নিজেদের আখের গোছাতে পারে না বলে আমার বিরুদ্বে উঠে পুরে লেখেছে তারা চায় না সাধারণ মানুষের অধিকার। দিয়ে তাদের সেবা করি, জনগন আমাকে ভোট দিয়ে তাদের সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি মহদয় সহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটোওয়ারির নৌকা প্রতিকের আর্ত্ব বিশ্বাষি সাধারণ মানুষ, তাদের নেতৃত্বে আমি আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার একজন চেয়ারম্যান, সততা ও নিষ্টার সাথে আমি আমার ইউনিয়ন বাসির সেবা করে আসছি আমি কখনো দূর্ণীতি করি নাই ও দলের কাহকে দূর্ণীতি করতে প্রশ্রয় দেই নি বলে আজ তারাই ষড়যন্তে লিপ্ত হয়ে দলের ভাব মূত্বি নষ্ট করছে, আজ যারা দলের প্রকৃত সেবক ও নিতি বান নেতাদের বিরুদ্বে ষড়যন্ত করছে তারা দলের সৈনিক হতে পারে না, তাদের লক্ষ বস্র তারা দলকে ধবংস করে নিজেদের আখের গোছাবে কেমন করে সেই তাদের লক্ষ,কিন্তু আমি বলবো আজ যারা দল ও জন প্রতিনিধিদের ধবংস করার পায়তারা করছেন তারা জানে না মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কখনো কু চক্রকে ক্ষমা করবে না, তাই আমি বলবো সাধুরা সাবধান হয়ে দেশ ও দলের স্বার্থ্যে মানুষের কল্যানে কাজ করুন, দেখবেন দল আপনাকে আপনার যোগ্যতার আসনে বসাবে।

আর যেই ঘটনার রেশ টেনে জেলেদের চাুউল চুরির অপবাদ দিয়েছেন আপনারা কি জানেন হাইমচর ইউনিয়নের বেশ কিছু জেলে হাইমচর বাজার, চরভাঙ্গা, চরভৈরবী ইউনিয়নে বসবাস করে। এ সকল জেলেরা অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে তাদের চাউল নিয়ে আসেতে সারা দিন কাটিয়ে দিয়ে সেদিনের জীবিকা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়, তার পরেও তারা নদী পারি দিয়ে সব সময় চাউল সহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে আসেন, আর তাদের মধ্যে যদি কোন জেলে অসুস্হ হয়ে পড়ে তারা যারা নদীর ওপাড়ে গিয়ে চাল আনতে না পারে তখন মেম্বারদের মাধ্যমে তাদের চাউল পৌছে দেবার দায়িত্ব প্রতিনিধির থাকে। কেনো না চাউল বিতরনে তালিকাটি সরকারি ভাবে জমা দিতে হয়, সঠিক ভাবে বিতরণ করে, সেখানে যদি কোন
মেম্বার দের মাধ্যমে তাদের চাল পৌছে দেওয়া হয় তাহলে মাঝ পথে চাউল আটক করে চুরি বলে অপ্র প্রচার করাটা কোন আইনে আছে,।

ঠিক সকল দিক বিবেচনা করে আর অসুস্হ্য জেলেদের ঘরে চাউল পৌছে দিতে ট্রলার যোগে মঙ্গল বার পাঠানো হয় তাও ওয়ার্ড মেম্বার শাহ জাহান, হারুন ও আহাম্মদ এর মাধ্যমে তারা ও চাউল চুরি করতে আনে নি, জেলেদের মাঝে বিতরণ করতে এনেছিলো, কিন্তু বিতরণ করার দূরের কথা মাঝ পথে ষড়যন্ত কারিরা তাহা আটক করে চুরির সাজানো নাটক সাজিয়ে আমার মান সন্মন নষ্ট করেছে।

চেয়ারম্যান আরো বলেন আমি কোন অসত্য উদ্দেশ্যে চাল পাঠানি। গরীবের চাল যাতে সঠিক ভাবে পায় সেজন্য এ ব্যবস্থা। আমি ও আমার সদস্যরা রিলিফের চালে কখন হাত দেই না। আমাকে সমাজে হেয় করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।আমি এই অপ্র প্রচার কারিদের তিব্র নিন্দা জানাই,

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হাইমচর ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে বিতরনকৃত চাল জনতাময় আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে হাইমচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিগ্যান চাকমা ও মৎস্য অফিসার মিজানুর রহমান চাল উদ্ধার নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌসী বেগম সত্যতা যাচাই বাচাই বুধ বার তালিকা অনুযায়ি জেলেদের মাঝে চাউল বিতরণ করেন,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD