হরিনা ফেরীঘাট ইজারাদার মোজ্জামেল হোসেন টিটু গাজী আমাদের সাথে খারাপ আচরন করেনি বললেন চালকরা

হরিনা ফেরীঘাট ইজারাদার মোজ্জামেল হোসেন টিটু গাজী আমাদের সাথে খারাপ আচরন করেনি বললেন চালকরা

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর হরিণা ফেরি ঘাটে ব্যাপক অনুসন্ধান করে বেরিয়ে আসে সংবাদের উল্টো, হরিণা ঘাট ইজারাদার মোঃ মোজাম্মেল হোসেন টিটু গাজীর অত্যাচারে হরিণা ঘাটের চালকরা অনিরাপদ। অথচ সরজমিন গাড়ির চালকরা বললেন আমরা বিগত বছর ধরে নিরাপদ ভাবে এই ফেরি ঘাট দিয়ে যাতায়াত করছি। তার সূত্রে আমরা তুলে ধরলাম নাম ঠিকানা ও গাড়ির নাম্বার সহ অসংখ্য চালকদের মতামত তুলে ধরলাম। তাহলে এবার জানা জাক ওই ঘাটের গাড়ি চালকরা কি বলেন? যেমন পিকাপ গাড়ি চালক মোঃ রুহুল আমিন মাদারীপুর (পিকআপ নং ঢাকা মেট্র ১৪—৪৮—৫২) বলেন, আমরা এই ঘাট দিয়ে নিরাপদভাবে যাতায়ত করছি। আমি বিগত বহু বছর এই ঘাট হয়ে চট্রগ্রাম টু মাদারীপুরে ফেরি পারপার হই। কখনো ইজারাদারের লোকেরা খারাপ ব্যবহার করেনি। এছাড়া ট্রাক চালক মোঃ আলম শেখ, মোরলগঞ্জ থানা বাগেরহাট জেলা, ঢাকা মেট্রো ট ১৬—৮৫—৬০ বিগত ৮—১০ বছর ধরে এই হরিণা ঘাট দিয়ে চলাচল করি চট্রগ্রাম থেকে খুলনা যশোর।আমরা কখনো দেখি নাই ঘাট ইজারাদার কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। তাছারা আমার সাথেও কখনো ইজারার টাকার জন্য হুমকি ধমকি দুরের কথা খারাপ আচরন করেনি। আশা করি বর্তমান ইজারাদার আগামিতে থাকলে আমাদের চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।
ট্রাক চালক মোঃ রিপন মিয়া বাড়ি যশোর (ঢাকা মেট্রো ২২—৩৭—৩৮) বিগত ৭—৮ বছর ধরে এই ঘাট দিয়ে চট্টগ্রাম টু খুলনাা যাতায়ত করছি। কখনো ইজাদার এর লোকজন আমাদের উপর অত্যাচার করেনি। তাছাড়া কবার গাড়ি চালক মোঃ সাগর হোসেন বাড়ি নোয়াপাড়া যশোর (ঢাকা মেট্র ১৩—৪৫—৮৩) বিগত তিনি বলেন ৪—৫ বছর ধরে এই হরিণা ঘাট দিয়ে চট্টগ্রাম টু যশোর চলাচল করছি। ইজারাদারের লোকজন আমাদেরকে কখনো মারধর করেনি। তাদের লাইনম্যানরা খারাপ আচরন করে নাই। আমারা নিরাপদে এই হরিনা ঘাট দিয়ে যাতায়ত করছি।
ট্রাক চালক মোঃ রাজ্জাক গাজি বাড়ি ডুমরিয়া থানা খুলনা (মেট্টো —১৬—২৬) বলেন, বিগত বছর ধরে এই ঘাট দিয়ে খুলনা টু চট্রগ্রাম যাতায়ত করছি কখনো ঘাট ইজারার টাকা আমরা বেশি দেই নাই এবং সরকারি নিয়মের তালিকা অনুযায়ী ঘাটের চাঁদা দিচ্ছি।
ঢাকা মেট্রো ট ১৮—১৮ —৫৪ এর ট্রাক চালক কুমিল্লা জেলার শহিদুল ইসলাম, তিনি এই পথে বিগত বহু বছর যাতায়ত করছেন শরিয়তপুর। ইজারাদার কখনো খারাপ ব্যবহার করা তো দুরের কথা তার লাইনম্যানরাও করেনি আমারা এই পথে নিরাপদে যাতায়ত করতে পারি তাছারা আমরা বিভিন্ন পন্য আমদানী ও রপ্তানী করি অবৈধ কোন কিছু বহন করিনা।
ফেনি ঢ ০৮—০০—১৬ তেলের লড়ি চালক চট্রগ্রাম জেলার মোঃ ইসরাফিল বলেন, বহু বছর ধরে এই ঘাট দিয়ে চট্টগ্রাম টু যশোর যাই ইজারাদারের চেহারা আমরা কখনো দেখি নাই। আর ইজারার চাঁদা আমরা সঠিক ভাবে দিয়ে থাকি। অতিরিক্ত টাকা নেবার প্রশ্নই উঠে না। তাছারা এই ঘাটে আমরা নিরাপদ পাই বলে এখান দিয়ে চলাচল করি। এইভাবে চালকরা তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন।
এছাড়াও আরো বহু চালক আমাদের বলেন, আসলে ইজারা ঘাট নিয়ে দুই পক্ষের টানাটানী থাকে। যদি কারো কাছ থেকে ছুটে যায় বা কেউ না পায় তাহলে না পাওয়ার কারনে ঘাটে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। তবে এই হরিণা ঘাটটি অনেক নিরাপদ আমরা অনেক সময় ফেরির অভাবে দুই তিন দিন বসে থাকি। কিন্তু কখনো দেখি না ইজারাদারের লোকজন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেছে। কিংবা আমাদের উপর অত্যাচার করেছে। তাছারা এখান দিয়ে যত গাড়ি চলাচল করে সবকটি বৈধ মালামাল নিয়ে কখনো দেখাতো দুরের কথা শোনা যায়নি গাড়ি করে মাদকের বড় বড় চালান পাচার হতে। তবে এটা ঠিক কিছু চালকরা অনেক পিছন থেকে আগে যেতে চেষ্টা করে। তখন উভয় চালকদের মাঝে ঝগড়া হয়। এতে ইজারাদার কিংবা লাইনম্যানরা দায়ী হতে পারে না।
এদিকে হরিণা ফেরি ঘাটের নিয়োগকৃত ইজারাদার এর লাইনম্যান মোঃ মহসিন চকিদার, শাহজালাল ঢালী, মনসুর গাজী, নেছার আহাম্মেদ ছিয়াল, বলেন আমরা গাড়ি প্রতি সরকারি নির্ধারিত চাঁদার টাকা আাদায় করি রশিদ বিহিন। আমরা অতিরিক্ত টাকা আদায় করি না। আর টাকার জন্য কোন চালককে গালাগালি বা মারধর করি না। তবে অনেক সময় চালকরা নিজেরাই ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। আর নাম পরে আমাদের এবং এই ঘাট দিয়ে কোন মাদক পাচার হবার খবর আমাদের কাছে নেই। যারা এইসব তথ্য প্রকাশ করছে তারা নিজেদের অপরাধ জগতের রাজত্ব কায়েম করতে ইজারাদার মোজাম্মেল হোসেন টিটু গাজীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কেনো না এই ইজারাদার এর কারনে ঘাটটি নিরাপদ আছে বলে চালকরা নিরাপদে যাতায়ত করছে।
এছাড়াও হরিণা ফেরিঘাটের অসংখ্য দোকানদারদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায়, আমরা দিবারাত্রী দোকান খোলা রেখে ব্যবসা করছি। কখনো দেখি নাই টিটু গাজীর সন্ত্রাসী বাহিনী আছে বা তারা গাড়ি চালকদের মারদর করেছে এবং তার লাইনম্যানরা চালকদের উপর অত্যাচার করেছে। তাহলে কেমন করে চালকরা অনিরাপদ হলো। যারা এসব বলে তাহা ভিত্তিহীন বানোয়াট কথা রাটাচ্ছে। আমরা মনে করি টিটু গাজীর হাতে ইজারাঘাট আছে বলে সকল চালকরা নিরাপদে আছে।
অপর দিকে ইজারাদার মোজাম্মেল হোসেন টিটু গাজীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলেলে তিনি বলেন, আমি সরকারি টেন্ডার অনুযায়ি ফেরিঘাটটি ইজারা এনেছি। জোরপূর্বক বা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে নয়, আর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নির্দেশে লাইনম্যানরা টাকা আদায় করছে। তাছাড়া আমার লাইনম্যানরা যদি অতিরিক্ত টাকা আদায় করে থাকে আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ কোন চালক করেনি। তাই অতিরিক্ত টাকা আদায় বা চাঁদা বাজীর ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন অভিযোগের অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোন গাড়ি থেকে ৪শ টাকা বা তার অধিক আদায় হলে সেটা ফেরী ভাড়া। আমার লাইনম্যানরা অতিরিক্ত ভাড়ার মধ্যে পরে না। আপনারা জাতির বিবেক আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা সঠিক সংবাদটা প্রকাশ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD