ফরিদগঞ্জ রামপুর বাজারে দোকান ঘর করতে গেলে বাঁধা

ফরিদগঞ্জ রামপুর বাজারে দোকান ঘর করতে গেলে বাঁধা

জসিম উদ্দিন,ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ ১০ নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পুরান রামপুর মধ্য বাজারে কাউছার আহমেদ ভুইয়া গংদের লিজকৃত জমিতে ঘর করতে গেলে বাঁধা ও ভুয়া স্টাম্প দেখিয়ে চাঁদাদাবি করেন শামছুল আলম ভুইয়া।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় লিজকৃত জমিটির মালিক আলী হোসেন,পরাবর্তিতে আলী থেকে কাউছার আলম গংরা লিজ নেন।
লিজকৃত জমির মালিকদের পক্ষে কাউছার আহমেদ ভুঁইয়া জানান আধা শতক জমি আব্বাস বেপারী,আব্দুর রশিদ খন্দকার, আলমগীর হোসেন ভুইয়াসহ আমরা ৪ জন লিজ আনি, যখন আমরা লিজকৃত জমিতে ঘর করতে যাই তখনই শামছুল আলম হেলাল ভুইয়া ও তার জামাতা জায়েদ হোসেন ভুয়া স্টাম্প দেখিয়ে ঘর করতে বাঁধা প্রদান করে এবং চাঁদাদাবি করে,এর পুর্বে গত ২২-০৪-২০০২ সালেও এমন ভুয়া স্টাম্প দেখিয়ে সালিশদারদের মাধ্যমে ৬৫ হাজার টাকা নেন, যাহা স্টামপে সব কিছু লেখা আছে।এখন আবার ঘর করতে গেলে একেই কায়দায় তারা টাকা দাবি করে। শামছুল আলম হেলাল ভুইয়া ও তার জামাতা জায়েদ হোসেন মেলে এমন ভুয়া দলিল,স্টাম্প তৈরি করে ভিবিন্ন জনদের কাছে টাকা দাবি করে,টাকার জন্য তারা মানুষকে ভিবিন্ন ভাবে হয়রানি করে,এমনকি সমাজ এবং রাষ্ট্র বিরোধী সকল কর্মকান্ডে জড়িত থাকে, স্বার্থের জন্য সবকিছুই সম্ভব শামসুদ্দিন হেলালের পক্ষে। কাউছার আহমেদ ভুঁইয়া গংরা অতিতেও তার এ সকল অপকর্মের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে এর কোন প্রতিকার পায়নি। এখনো তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহযোগীতা কামনা করেন।
এই বিষয় শামছুল আলম হেলাল ভুঁইয়া বলেন লিজকৃত জমিটির মালিক আলী হোসেন,আলী হোসেন স্টাম্পের মাধ্যমে নেন জসিম উদ্দিন,জসিম উদ্দিন থেকে ২০০১ সালে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজকৃত জমিটি আমি নেই। কাউছার আলম গংরা যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD