গোবিন্দগঞ্জে মাটির ঢিপি থেকে মিলল কষ্টি পাথরের মূর্তি ও শিলা খন্ড মারলো বিষাক্ত সাপ।

গোবিন্দগঞ্জে মাটির ঢিপি থেকে মিলল কষ্টি পাথরের মূর্তি ও শিলা খন্ড মারলো বিষাক্ত সাপ।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত মাটির ঢিপি কেটে পুকুর খননের সময় একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি ও প্রায় ২ মন ওজনে একটি শিলাখন্ড পাথর উদ্ধার হয়েছে। শিলা পাথর ও মূর্তি উদ্ধার কালিন সময়ে একটি বিষাক্ত সাপের মৃত্যু হয়েছে৷

৩০ ডিসেম্বর জুম্মার নামাজ পর উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের ১নং কাটাবাড়ী গ্রামে মাটির ঢিপি খননের সময় শ্রমিকরা একটি মূর্তি উদ্ধার করে। এসময় ওই স্থানে একটি কালো রঙের সাপ দেখতে পেয়ে তারা সাপটি কে মেরে ফেলে মাটি কাটা শ্রমিকগণ। পরে শ্রমিকরা বিষয়টি কাটাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জুবায়ের হাসান মোঃ শফিক মাহমুদ গোলাপ কে অবহিত করলে তিনি বৈরাগী হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মিলন চ্যাটার্জীর হাতে হস্তান্তর করেন। এরপর এক সময়ে একটি শিলা খন্ড উদ্ধার করা হলেও যে শিলা খন্ডটি জমির মালিক লুকিয়ে রাখে পরে স্থানীয় ভাবে জানাজানি হলে পরে রাত সাড়ে আটটার সময় শিলাখন্ডটি ইউনিয়ন পরিষদে হস্তান্তর করে। বর্তমানে শিলাখন্ডটি ফাঁড়ি পুলিশের নিকট হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ফাড়ি ইনচার্জ মিলন চ্যাটার্জী সাংবাদিক জানান, কাটাবাড়ী গ্রামের আ. মজিদের ছেলে গয়না তার পুরাতন একটি মাটির ঢিপি সংযুক্ত ১০ কাঠা জমিতে পুকুর খননকালে শ্রমিকরা একটি মূর্তি উদ্ধার করে। মূর্তিটির ওজন সাড়ে তিন কেজি এবং উচ্চতা ৭ ইঞ্চি। নারীর প্রতিকৃতির এ মূর্তিটি কোন দেবীর আকৃতির হতে পারে তা জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, মূতিটি কষ্টি পাথরের তৈরি। আমরা ধাতব পদার্থের লোহা ও ব্লেড মূর্তির সংস্পর্শে আনলে তা চুম্বকের মত মূর্তির গায়ে আটকে যায়। এছাড়াও একটি বিশাল শিলাখন্ডও পাওয়া যায়। এলাকার আশপাশে আরো মূল্যবান কিছু পাওয়া যেতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা। উক্ত স্থানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা দাবী করেন তারা। আর একই সময় কালো কালারের বিষধর সাপ মেরে ফেলায় যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে তেমনি না গুণজন চলমান রয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD