চেয়ারম্যান হারুনের বিরুদ্বে মেম্বারদের অভিযোগ একক সেচ্চাচারিতার শেষ কোথায়

চেয়ারম্যান হারুনের বিরুদ্বে মেম্বারদের অভিযোগ
একক সেচ্চাচারিতার শেষ কোথায়

এস আর শাহ আলম

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২ নং বালি থুবা পূর্ব ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এইচ এম হারুনুর রশিদের বিরুদ্বে সাত জন ওয়ার্ড মেম্বারদের অভিযোগ, জানা যায় ইউনিয়নের সাত জন ওয়ার্ড মেম্বারদের মাসিক সন্মানি অর্থ আর্ত্বসাৎ সহ ব্যপক দূর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যপারে চেয়ারম্যানের বিরুদ্বে সাতজন সদস্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন, তাছারা পরিষদের সামনে চেয়ারম্যানের অনিয়মের সুষ্ট তদন্ত করার দাবি জানিয়ে রোব বার জেলা প্রশাসক বরাবর নির্বাচিত সাত সদস্য সাক্ষরিত অভিযোগ পএটি দাখিল করেন,

অভিযোগ কৃতরা হলেন আব্দুল হাই মজুমদার, মোঃ শহিদ উল্লাহ, মোঃ জসিম উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, বাহারউদ্দিন বাবর,সাবিনা ইয়াসমিন ও ফরিদা ইয়াসমিন,

এদিকে তাদের অভিযোগ পএের অনুলিপি সাংসদ সদস্য, স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব,ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা চেয়ারম্যান , ও প্রকল্প বাস্হ্যবায়ন কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করা হয়,

তাদের অভিযোগ পএে উল্লেখ করেন যে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে সদস্যদের সন্মানী ভাতা না দিয়ে নিজেই আর্ত্বসাৎ করে আসছে এ পর্যন্ত,এছারা পরিষদের আওতাধীন জমির রেজেষ্ট্ররির টাকা নিজেই আত্বসাৎ করে, সদস্য গনরা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান নামে বেনামে ভাউচার করে হিসেব দেখায়, যেই হিসেবের কোন বৃত্বি নেই, আর কোন সদস্য তার অনিয়মের প্রতিবাদ করলে নানাহ ধরনের খারাপ ব্যবহার করে,

এছারা রয়েছে ক্ষোধ চেয়ারম্যানের একক সেচ্চা চারিতা, যার প্রমান হিসেবে রযেছে এডিপি- টি আর – কাবি খা – বাজার ইজারা সহ বিভিন্ন খাতের টাকা জনপ্রকল্পে না দিয়ে নিজেই আর্ত্বসাৎ করে আসছে দিনের পর দিন, এক জন ইউপি চেয়ারম্যান হয়ে নিজ পরিষদের ওয়াড মেম্বার সদস্যদের কোন কর্ণপাত না করে খাম খেয়ালি ভাবে পরিচালনা করে আসছে চেয়ারম্যান হারুন, যার খামখেয়ালির কারনে দলের বিদ্রহী প্রার্থী হবায় নির্বাচনের সাথে দল থেকে বহিস্কার করেছে, এছারা তিনি ইউনিয়ন আওয়ামি লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কৃষক লীগের যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে পদ দখল করে আসছেন, যাহা সাংগঠনিক নিযমে নেই, একই ব্যক্তি দুই তিনটি দলীয় পদে থাকা অথচ তার জবর দখল দরীয় পদের প্রভাব এখন ইউপি সদস্যদের উপর পরছে বলে সচেতন মহল সহ দলীয় নেএি বৃন্দু মনে করেন।

এখানেই চেয়ারম্যান হারুনের অনিয়ম আর ক্ষমতার অপব্যবহারের শেষ নেই,সরকারি বরাদ্ব কৃত অধিকাংশ এাণ তিনি নিজের লোকজন দিয়ে উঠিয়ে তাহা বিতরণ না করে নিজের পেটে ডুকিয়ে ফেলে, সদস্যদের না জানিয়ে নিজের পকেটের লোকদের নিযে লুটে পুটে খাচ্ছে সব কিছু, তাহলে ইউপি সদস্যদের কোন প্রয়োজন ছিলো না বলে সদস্যগনরা বলেন, বর্তমান করোনা মহামারির সরকারি এাণ ও নিজেই খেযেছেন বলে সদস্যগনরা বলেন, এছানা পরিষদের বনাযনের বরাদ্বকৃত চেকের টাকা নিজেই উত্তোলন করে আর্ত্বসাৎ করেন, ইউপি সদস্য আবদুল হাই মজুমদার বাহাউদ্দীন বাবলু বলেন পরিষদ গঠন থেকে আজ অবধি সকল উন্নয়ন কাজ সরকারি অনুদান সহ সকল কাজ আমাদের না জানিয়ে নিজের সেচ্চা চারিতায় করে আসছে, যার কারনে চেয়ারম্যান আঙুল ফুলে কলা গাছ, এক দিকে অসহায় মানুষদের সরকারি অনুদান, ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা সহ আমাদের সন্মানী ভাতা আর্ত্বসাৎ তার কাছে যেনো সোনার মহর, তাই তিনি দলীয় এবং নিজের ক্ষমতার জোরে এমন কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে বছরের পর বছর, আর তাই ভোক্ত ভুগীরা সুস্ট সঠিক তদন্ত সাপেক্ষের দাবি জানান,

অপর দিকে চেযারম্যন হারুনুর রশিদ মেম্বারদের অভিযোগ গুলি বৃত্বিহীন বলে দাবি জানান,তবে ফরিদগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলি হরি বলেন আমি অভিযোগটি পাওয়ার সাথে সাথে ইউপি চেয়ারম্যান কে বরেছি মেম্বাদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে, তবে অভিযোগের আলোতে তিনি কতটুকু তদন্ত করবেন বা অভিযোগটি দ্রুত তদন্ত করবেন তাহা বলেন নি,

যাই হউক সচেতন মহল মনে করেন একজন ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্বে তখনি মেম্বারগনরা তখনি অভিযোগ দাখিল করেন যখন অনিয়মের বালার শেষ থাকে না, যদি তাই হয় তাহলে উপরন্ত অভিযোগ গুলি দ্রুত তদন্ত করে মেম্বারদের সঠিক বিচার পাইয়ে দেবার আবেদন করেন ভোক্ত ভূগি মহল,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD