দালালদের মদতে দিনের বেলায় মেঘনায় চলছে জেলেদের মা ইলিশ নিধন

দালালদের মদতে দিনের বেলায় মেঘনায় চলছে জেলেদের মা ইলিশ নিধন

এস আর শাহ আলম

মেঘনায় ২২ দিনের মা ইলিশ রক্ষার অভিযান চলছে দিবা রাএি, নদীর ভুকে চুসে বেরাচ্ছে নৌ পুলিশ, কোষ্ট গার্ড সহ বিভিন্ন দপ্তরের আইন সৃংখ্যলা বাহিনী, কিন্তু অভিযানে প্রশাসনের সফলতা কতটুকু তাহা প্রকাশ্য সরজমিন অনুসন্ধান করে দেখা যায়, দিনের বেলায় মেঘনার বুকে শত শত জেলে নৌকা ইলিঁশ মাছ শিকার করছে, আর জেলেদের নেতৃত্ব দিচ্ছে ক্ষমতাশীল দলের কথিত নেতা সহ প্রভাব শালী ব্যক্তি বর্গ, যারা লাখ লাখ টাকা দাদর দিয়ে জেলেদের দিয়ে দেশের সম্পদ ধ্বংস করতে দিনের আলোতে মাছ নিধন করছে, আর ওইসব দালালদের সহযোগীতা করছে পুলিশের সোর্স আর চালকরা, যাহা শনি বার দিনব্যাপি চাঁদপুর সদরের ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন ও হানারচর ইউনিয়নের নদীর পাড় এলাকার বিভিন্ন স্পর্ট গুলি গুরে তর্থ সংগ্রহ করা হয়, তার সাথে দিনের বেলায় মেঘনায় জেলেদের জাল নৌকা নিয়ে ইঞ্জিল চালিত ট্রলার গুলির ও ছবি তোলা হয়, যাহা সংবাদের সাথে প্রকাশ করা হয়েছে।

সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দুই ইউনিয়নে অনুুসন্ধান করে বেপক তর্থ বেরিয়ে আসে যার মধ্যে গুরুত্বের দিগটি দালাল চক্র আর পুলিশের সোর্স ও চালকরা,
১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড বাখোর পুর দফদারগো রাস্তা দিয়ে স্কুলের পরে নদীর পাড় থেকে প্রতিদিন ৫০- ৬০ টি জেলে নৌকা রয়েছে, যারা হাইমচর, চর ভৈরবি,নীল কমল থেকে আশা জেলেরা, ওই এলাকার প্রভাবশালী দালাল চক্র দাদন দার নামের রাঘব বোয়াল মোঃ মমিন খাঁ, পিতা রোস্তম খাঁ ও মোঃ বাচ্চু বেপারি পিতা মৃত রমিজ উদ্দিন বেপারি,এরা দুই জন ওই সব জেলেদের মদত দিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ইলিঁশ মাছ কেনা বেচা করে, জানা যায়, প্রতিদিন মাগরিব বাদ তারা নদীর পাড়ে ইলিশের ভাসমান আড়ৎ বসিয়ে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে পুলিশের নাকের ডগায়, কিন্তুু পুলিশ আজও এই সব দালালদের আটক করতে পারেনি,, সরজমিন দেখা যায় দুপুর দের টার পরে শুরু হয় জেলেদের নদীতে মাছ শিকারে নেমে পড়া, প্রায় ২০-৩০ টি জেলে নৌকা নেমে গেলো মাছ শিকারে,

এর পড়ে আশা হলো আখনেে হাট সেখানে জেলেরা নিজেরাই ক্ষমতার অধিকারি, চোখের পলকে ২০-৩০ টি জেলে নৌকা খালের ভীতর থেকে মেঘনায় পাড়ি দিলো ইলিশ শিকারে,

আশা হলো হানারচে ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড বাখরপুর আখনের হাট আখন বাড়ি মসজিদ সংলগ্ন, ১০ মিনিটের মাথায় খাল থেকে প্রায় ১৫-২০ টি জেলে নৌকা মেঘনার বুকে পাড়ি দিলো, সুুএে জানা যায় সেখানে ৩০- ৩৫ টি জেলে নৌকা রয়েছে, যারা ওয়ার্ড মেম্বারের সহযোগীতায় ইলিঁশ নিধন করে মসজিদের পাশে এনে লাখ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি করছে আছর ও মাগরিব বাদ, বর্তমানে ইলিশের নিন্মতম প্রতি হালি ১৮- ২ ৪ শ টাকা করে বিক্রি করছে প্রতিদিন সেখানে লাখ টাকার মাছ কেনা বেচা করে, আরো জানা যায়, সেখানকার জেলেরা নিজেরাই ক্ষমতার অধিকারি হলেও এরা হরিণা ও বহরিয়া থেকে আশা যার মধ্যে জুয়েল, রাসেল, হারুন, রিয়াদ বেপারি সহ আরো কয়েকজন, এরা দিনের সময় মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকার করে রাতারাতি কোটি পতি হবার স্বপ্ন দেখছে,।

এবার নন্দিগো দোকান মসজিদ এর পিছনে নদীর পাড় এসে দেখা গেলো সেখানে হানারচর ইউনিয়ন ৫-৬ নং ওয়ার্ড প্রায় ২০-২৫ জন জেলে দিনের সময় মাছ নিধন করতে মেঘনায় পারি দিলো, লক্ষ করা যায় মেঘনা নদীর সাথে সরু খালের ভীতর থেকে জেলেরা নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধনের লড়াই করছে, আরো জানা যায় এখানকার জেলেদের মদত দিচ্ছে রকমান খাঁ যিনি পুলিশ কে বলে চোর ধরেন আর চোরকে বলে পালিয়ে যাও, এই রকমান খাঁর নেতৃত্বে ইলিশ নিধনের মহাউৎসব টি কোন নঁতুন নয়, যার কারনে রকমান খা ক্ষমতার অপ ব্যাবহার করে লাখ লাখ টাকার ইলিশ কেনা বেচা করছে প্রতিদিন সন্ধা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত,

অবশেষে যাওয়া হলো ঢাড়ি গো কান্দি সেখানেও ১০-১৫ টি জেলে নৌকা রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত নদীতে মাছ নিধন করে আসছে,, অনেকেই বলেন এখানকার জেলেদের মদত দাতা হলেন সালাম ঢাড়ি স্হানীয় ঢাড়ি বাড়ির জেলেরাই মা ইলিশ নিধন করে আসছে বছরের পড় বছর, আর তাদের মতদ কারি দালাল চক্রের হোতা সালাম সহ ক্ষমতাশীল দলের নাম দারি নেতারা লাখ লাখ টাকা জেলেদের দাদন দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, সকল জেলেদের উপর প্রশাসনিক স্টিম রুলার চললেও প্রকৃত অপরাধি দালাল চক্ররা ধরা ছোয়ার নাগালে থাকে, আর দালাল চক্র কেনো আইনের জালে আটকা পড়ছে না তাহা সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,

এখানেই শেষ নয় এবার অনুুসন্ধানে বেরিয়ে আসলো আরো নঁতুন তর্থ যারা পুলিশের সোর্স হয়ে দালাল আর জেলেদের সাথে আতাত করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পুলিশের নাকের ডগায় থেকে, ওই সব সোর্সরা অভিযান করার খবরটি দালাল ও জেলেদের জানিয়ে দেয় ফলে পুলিশের অভিযান ব্যর্থ হয়, যার প্রমান হিসেবে হরিণা ফেরি ঘাট নৌ পুলিশ ফাড়ির অতিরিক্ত ইনচার্জ মোঃ তরিকুল ইসলাম একজন সোর্সকে বাদ দিয়েছেন বলে তিনি জানান,এবার স্প্রিট বোড চালকদের কথা বলা যাক সোর্সদের মত তারাও জেলেদের কাছে অভিযানের খবরটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়, বিনি ময়ে তারা জেলে নৌকা প্রতি পাচ হাজার টাকা কামিয়ে নেন, আবার তাদের সামনে জেলেরা পড়ে গেলে স্প্রিট বোডের গতি কমিয়ে দেয় চালকরা, তারা তখন জেলেদের বাঁচাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখিয়ে জেলেদের পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করে কৌশনে তখন অভিযানটি ব্যর্থ হয়,, অপর দিকে ইঞ্জিল চালিত সুগানি একই ভাবে জেলেদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে উল্লেখ যোগ্য পরিপ্রন্তায় জেলেদের সহযোগীতা করে বলে অভিযান পন্ড হয়ে যায়, যার কারনে হরিণা নৌ পুলিশ ফাড়ির সুগানি নেছারের বিরুদ্বে অভিযোগ পাওয়া যায়,

উল্লেখ্য ওইসব ক্ষমতাশীল দালালদের সহযোগীতা ও মদতের কারনে জেলেরা পুলিশের উপর হামলা চালায়, আর তাদের কারনে প্রতি বছর পুলিশ হামলার শিকার। হয়, এবার ও ১৩ পুলিশের উপর হামলা করে আহত করেছে, আজ যদি দালাল চক্রদের আটক করা হতো তাহলে জেলেরা পুলিশের উপর হামলা করার সাহস পেতো না, এবং সোর্স আর সুগানী চালকরা জেলে ও দালালদের অভিযানের খবর দিতে না পারতো তখন পুলিশের অভিযান সফল হতো এবং মা ইলিশ রক্ষা পেতো, এছারা নদীর পাড়ের উল্লেখ যোগ্য স্পর্ট গুলিতে যদি কোষ্ট গার্ডের ভাসমান চেক পোষ্ট বসানো হতো তাহনে জেলেরা দিনের আলোতে নৌকা নিয়ে নদীতে বের হতে পারত না বলে মতামত প্রকাশ করেন এলাকাবাসি সহ সচেতন মহল,

আমরা মনে করি দালাল চক্র আর দাদন দারদের উপর পুলিশের সাড়াশি অভিযান করে আটক করলে ইলিশের অভিযান সফল হবে আর তাই উল্লেখ যোগ্য তর্থ কে অনুসরণ করে আইনি প্রয়োগ সহ অভিযান করা দরকার,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD