চাঁদপুর চোরাকারবারি গড ফাদাররা আবারো সক্রিয়

চাঁদপুর চোরাকারবারি গড ফাদাররা আবারো সক্রিয়

এস আর শাহ আলম

চাঁদপুর মেঘনা নদীতে চোরাই ব্যাবসা জমে উঠেছে, রাঁধের আধাঁরে চট্রগ্রাম থেকে আশা জাহাজে করে ঢাকা যাবার পথেই চোরা কারবারি সিন্ডিকেট দল বিভিন্ন পর্ণ চুরি করার মহাউৎসব শুরু হয়েছে বলে সুএে জানা যায়
বিগত বছর চোরাকারবারিরা নিস্কিয থাকলেও এখন আবার মাথা উচু করে দাড়িয়ে, যার সুএ ধরে আমাদের এই প্রতিবেদকের আজকের অনুসন্ধানে এবার বেরিয়ে আসলো চাঁদপুর জেলার চোরা ককারবারি গড ফাদার, যারা সপ্তাহে দু এক বার কাজ করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে রাঁতের আধারে, কিন্তু আইন সৃংখ্যলা বাহিনী নিরব, ফলে গড ফাদার বড় ভিটাররা অনেকটা সক্রিয় বলে সচেতন মহল মনে করেন।

এর আগেও চোরা কারবারি সেলিম নামের বিরুদ্বে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন নজর দেন নি বলে সেলিমের কাজ কর্ম থেমে থাকেনি, তবে এবার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসলো রাঘোব বোয়াল যাদের ইশারায জেলায় চোরাই পর্ণের সমাহার ঘটে, জানা যায় বর্তমান বাজারে এরা সব চেয়ে বড় বিটার যারা রাতের পর রাত লাখ লাখ টাকা কামিযে নিচ্ছে, যেমন মোঃ মিজান ঢালী, পিতা মৃত আব্দুল লতিফ ঢালী, মাতা বেলাতুননেছা, সাং পূর্ব শ্রীরামদী ঢালী বাড়ি পুরানবাজার চাঁদপুর, মোঃ মিন্টু ঢালী পিতা মৃত রহমান ঢালী, মাতা মৃত মমতাজ বেগম সাং মোম ফ্যাক্টরী পুরানবাজার চাঁদপুর, তাদের আরেকজন সহযোগী রয়েছে যাকে আমরা পরে আনছি, কেনো না এরা দুই জন চট্রগ্রাম থেকে জাহাজ করে আশা ট্যাংকার থেকে ফতুল্লা এলাকায় চোরাই মালামাল কিনার সময় পুলিশের হাতে আটক হয় এবং চোরাই মাল কিনার অপরাধে গত ১৩/০১/২০২০ সালে তাদের বিরুদ্বে মামলা দায়ের হয়, মামলা নং) ৩৮ ধারা ৩৭৯ – ৩৪ পেন্যাল, সেই মামলায় এরা দুই জনই ১৩ দিন কারা বরণন করেছেন কেরানীগঞ্জ জেলা কারাগারে, সে সময় পুলিশ তাদের বিরুদ্বে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে বলে সুএে, আসে, জানা যায় আটকের সময় এরা টেংকার থেকে বিদেশী স্প্রে, অটো বাইকের মটর পার্স, সহ বিদেশী সেম্পু বিদেশী কাপড়, চোরাই পথে কিনতে গিয়ে হাতে নাতে আটক হয়, বর্তমানেও মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে,

এর পড়েও থেমে থাকেনি তাদের চোরা কারবারি সাথে নিলেন মঞ্জিল বেপারি নামের আরেক চোরা কারবারি যে কিনা টাকা যোগান দেয়, সুএে আসে গত সপ্তাহে মঙ্গল বার গভীর রাতে মেঘনা নদীর মোহনার এি মূখি পশ্চিম পাড় এলাকায় থেকে রাত দুই টার সময় আনুমানিক ১২ লাখ টাকার গম জাহাজ থেকে চোরাই পথে আমদানী করেছে, এছারা এরা এমন কোন সপ্তাহ নেই যে তারা চট্রগ্রাম থেকে আশা জাহাজ থেকে চিনি, স্যার, ভূট্রা, গম তেল চুরি না করছে, সুএে আরো আসে যে সপ্তাহে রবি বার, মঙ্গল বার, বৃহস্পতি বার, এই তিন দিনের যে কোন দিন সুযোগ বুঝে এরা চোরা কারবারি করে থাকে বলে জানা যায়,

এদিকে চোরা কারবারিদের গড ফাদার মিজান, মন্টিু, মঞ্জিল, তাদের ক্ষমতা দেখিয়ে জেলা জুরে চোরাই পন্য গুলি পাচার করছে যাহা জেলার থানা গুলিতে অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে, কিন্তু তারা চতুর বলে অনেকেই তাদের খুজে বের করতে পাড়ছে না, কারণ তাদের নিজিশ্ব ঠিকানা থাকলেও তারা ঠিকানা বিহিন বসবাস করে,তবে মেঘনা নদীতে প্রশাসন দৃষ্টি রাখলে এই সব চোরা কারবারিদের আটক করা সম্বব হবে, তা না হলে এরাই হবে বাংলার চোরা কারবারিদের গড ফাদার, তাছারা সরকারি সম্পদ চুরি করে এরা লাখো পতি থেকে কোটি পতি হবার স্বপ্নের বিজ দেখছেন, এভাবে চলতে থাকলে দিনের পড় দিন মাসের পড় মাস সরকার মোটা অংকের ক্ষতিগ্রস্হ্য হবার পথে রয়েছে বলে সচেতন মহল বলেন, আমরা মনে করি শংশ্লিষ্ট কর্তৃ পক্ষ সহ চাঁদপুরের সু যোগ্য পুলিশ সুপার সহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল সু দৃষ্টি দেবেন, আর কর্তৃ পক্ষের দৃষ্টিতে চোরা কারবারিদের পাহার ভাংবে, এমন টাই আশা সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD