করোনার ঝুকিতে চাঁদপুর

করোনার ঝুকিতে চাঁদপুর

এস আর শাহ আলম

করোনা ভাইরাস এর দ্বীতিয় ঢেউ আসার সাথে সাথে সরকারি ভাবে কঠোর বিধি নিষেদ আরোপ জারি করে লক ডাউন দেয়, বন্দ হয়ে যায় এক জেলার সাথে আরেক জেলার যান বাহনের যোগাযোগ ব্যবস্হা, বিধিতে শুধু মাত্র পর্ণ্য বাহী গাড়ি আর কাঁচা মালের গাড়ি চলাচলের কথা থাকলে ও সেখানে হর হামেশাই চলছে যাএী বাহী মাইক্রো বাস আর প্রাইভেট কার, তার সাথে রয়েছে এম্বুলেঞ্চে রুগীর পরির্বতে যাএী বহন, এমন চলাচল কতটা স্বাস্হ্য বিধি মানছে সাধারণ মানুষ তাহা বলার বাহল্য, কেনো না গাদা গাদী করে এক একটি মাইক্রোতে ১৪-১৮ জন যাএী বহন করে চাঁদপুর হরিণা ফেরী দিয়ে পাড়া পার হতে দেখা যায়, বিশেষ করে সন্ধার পর থেকে ভোর পর্যন্ত, হরিণা ঘাটে দিয়ে শত শত যাএী বাহী মাইক্রো যাতায়াত করছে,
এই সব গাড়ি গুলি চট্রগ্রাম থেকে বরিশাল, খুলনা, যশোর যেতে দেখা যায়, একটি মাইক্রো ৪০–৫০-৬০ হাজার টাকা রিজাব বলে যাএীদের কাছ থেকে আদায় করছে,, জন প্রতি ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৪-৫ হাজার টাকা ভাড়া গুনছে যাএীরা, আর যাএীরা নানাহ অজুহাতে ঈদের স্ত্রোতে নিজ বাড়িতে ফিরছে, যদিও মোটা অংকের টাকা আদায করছে মাইক্রো মালিক পক্ষ তবুও যাএীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফেরার উৎসবে মেতে উঠেছে,। প্রতি রাঁতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে হরিণা ফেরী ঘাটে, যাএীরা অপেক্ষ্যমান ফেরীর অপেক্ষায় ঘাটে নেমে এদিক সেদিক ঘোরা ফেরা করছে। এতে করে করোনা প্রতিরোধে কতটুকু চাঁদপুর রক্ষা পাবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মুখে নানাহ প্রশ্নের বীজ বোপন হয়েছে,

অপর দিকে যশোর লাঘুয়া ইন্ডিয়া যেই দেশে করোনার নঁতুন ভাইরাম রুপ খুজে পেয়েছে ওই দেশের সরকার, যেটাকে ডাবল ভাইরাস বলে সকলের মুখে ভাঁসছে তারই অংশ যশোরে ভারত ফেরত চার জনের শড়িলে শনাক্ত হয়েছে, যাহা নিয়ে দেশের স্বাস্হ বিভাগ অনেকটা চিন্তিত, কিন্তু যশোর থেকে চাঁদপুর হয়ে চট্রগ্রাম, সিলেট সহ আবার চট্রগ্রাম থেকে বরিশাল যশোর মানুষ মাইক্রো করে যাতায়ত করছে, এবং তারা হরিণা ঘাট গোড়া ফেরা করে, এতে করে কতটুকু নিরাপদে থাকবে চাঁদপুর তাহা অনেকেরও প্রশ্ন।

অপর দিকে যশোর থেকে চাঁদপুর পুরানবাজারে বিভিন্ন খাদ্দ সামগ্রী সহ বিভিন্ন পর্ণ্যের গাড়ি এসে ট্রাক রোডে অবস্হান করে, যতখন না পর্যন্ত মালামাল নামানো না হয় ততক্ষন, যশোর থেকে আসা চালক ও হেলপাররা বাজারে গোড়া ফেরা করে এতে করে করোনার ডাবল ভাইরাসটি চাঁদপুর বাসির শড়িলে প্রবেশ করার সম্বাবনা রয়েছে বলে জনমত বলেন,

সচেতন মহল বলেন করোনা কালীন সময়ে দেশের অনান্য জেলা থেকে চাঁদপুর অনেকটা ভালো, যার কারনে চাঁদপুর জেলায় করোনা আক্রান্ত কিনবা মৃতের সংখা কম, আর যশোর থেকে আশা চালক হেলপার সহ যাএীদের আনাগোনা বন্দ না হলে চাঁদপুুর জেলা হতে পারে করোনা ভাইরাসের জেলা, কেনো না ওইসব উল্লেখ যোগ্য বিষয় গুলি বিবেচনা করে প্রশাসনিক ভাবে এখনি ব্যবস্হা গ্রহন করা দরকার বলে মনে করেন চাঁদপুর বাসি, আর তাই এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সহ পুলিশ সু দৃষ্টি কামনা করছেন বিঞ্চ মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD