চাঁদপুর পুরানবাজার অটো গ্রীজে মালিকের ঝুুলন্ত লাশ উদ্দার

চাঁদপুর পুরানবাজার অটো গ্রীজে মালিকের ঝুুলন্ত লাশ উদ্দার

এস আর শাহ আলম

চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার কয়লা ঘাট এলাকায় অটো গ্রীজ থেকে এক জনের ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্দার করেছে পুরান বাজার পুলিশ।
প্রথমিক ভাবে ধারনা সহ এলাকাবাসির ধারনা ভাড়া করা অটো গ্রীজে অটো ও গ্রেজ মালিক মোঃ সেলিম মিয়া ( ৪৫ পিতা মৃত মাদু মোল্লা মাতা কমলা বেগম
ডিমরা থানা কুড়ি গ্রাম রংপুর আজ সোম বার সকাল ৬ টার পরে নিজ গ্রীজ খুলে প্লাস্টিকের রসি আড়ার সাথে বেধে নিজ গলায ফাঁস দিয়ে আর্ত্ব হত্যা করেছে,
দীর্ঘ দুই ঘন্টা পড়ে এলাকা বাসির নজরে পড়লে পুরান বাজার পুলিশ কে খবর দিলে, ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সঙ্গীয় ফোস এস আই মোরশেদ এস আই লিলুছুর ও কন্ট্রোবল নিয়ে ঘটনা স্হ্যল গিয়ে আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্হায় সেলিমের লাশ দেখতে পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় সংবাদ দেন,

এই খবর শুনে হাজারো নারি পুরুষের ঢল নামে,
দুই সন্তানের জনক সেলিমের স্তী সিমা আক্তার পিতা মৃত শিরাজ সরদার মেরকাটিজ রোড ভাড়া থাকেন সিমা ব্যাক সমিতিতে কেন্দ্রর দায়িত্বে চাকুরি করেন, স্ত্রী সিমা বলেন আমি আমার শাশুরিকে খবর বলেছি, আর আজ সকালে ১ হাজার টাকা কিস্তি দেবার কথা, গত কাল রোব বার রাতে আমাকে বলে ৪ শ টাকা আছে আমি বলি রেখে দেন বাকি ৬ শ টাকা আমি মিল করে কিস্তি দেবো, ভোর হলে সে গ্রীজে চলে আসে আমার স্বামী এমন কাজ করবে আমি ভাবতে পারছি না, আমাদের দুইটি ছেলে সন্তান আছে বড়টা মাদ্রাসায় হাফেজি পড়ে,
সেলিম অটো চালায় বিগত ২০ বছর পূর্বে চাঁদপুর আসে আমাকে বিযে করার পড় থেকে বাসা ভাড়া করে থাকি, গত সাত মাস আগে এই ঘড় টি ভাড়া নিয়ে অটো গ্রীজ করে, আর ৪ লাখ টাকা কিস্তি উঠিয়ে একটি অটো বাইক কিনেছি, প্রতি সপ্তাহের শনি বার ৪ হাজার টাকা কিস্তি দিতে থাকে, প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা কিস্তি দেন,
অপর দিকে কয়েকজন অটো চালক বলেন সেলিম প্রতিদিন ১২ শ টাকা কিস্তি দেয় আর কিস্তির টাকার জন্য সেলিম আর্ত্বহত্যা করে, আবার কেউ বলে লাশের পা মাটিতে কেনো, আর নিজে গলায় রসি দিলে বাঁচার জন্য হুংকার দিয়ে পা ছরাবে, তখন পাশে থাকা বস্তু গুলি পড়ে যাবে, এবং মাটিতে দাড়ালেও মাটিতে পায়ের আচর থাকবে, সেখানে তার কিছু নেই,। আবার অনেকে বলছে সেলিমকে কেউ মেরে রশিতে ঝুলিয়ে রাখলে সেলিম ডাক চিৎকার দিতো তাহা সবাই শুনতো, কেননা এটা সকালে দেওয়া ফাঁসি,

এদিকে খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রশিদ ঘটনা স্হলে এসে সেলিমের স্ত্রী ও উপস্হিত মানুষের সাথে কথা বলে সেলিমের ঝুলন্ত লাশটি মাটিতে নামিয়ে প্রাথমিক সুরুত হাল করেন, সুরুত হালে লাশের শড়িলে কোথায় ও কোন দাগ পাওয়া যায়নি, গলার রসির বাঁধ খোলার পড়ে রশির চাপের দাগ পাওয়া গেলেও প্রাথমিক ভাবে সেলিমকে কেউ মেরেছে এমন কোন নজির দেখা যায় নি, যার কারনে প্রাথমিক ভাবে এটাকে আর্ত্বহত্যা বলে ধারনা করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিয়ে যায়।

নিজ গ্রেজে সেলিমের ঝুলন্ত লাশ ও লাশের সুরুত হালের জন্য শড়িরের বিভিন্ন অংশ আমরা ভিডিও নিউজের সাথে তুলে ধরেছি, কেনো না ময়না তদন্তের পড়ে সঠিক ভাবে বলা যাবে সেলিম কি আর্ত্ব হত্যা করেছে নাকি কেউ মেরে তাকে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD