ইয়াবা নিয়ে চুনি পুঁটি ধরা খেলে ও মূল গডফাদার গুলো অধরা

ইয়াবা নিয়ে চুনি পুঁটি ধরা খেলে ও মূল গডফাদার গুলো অধরা

মোঃ ইউসুফ রুবেল চট্টগ্রাম

বান্দরবান নাক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ইয়াবা সম্রাট সাইফু ইসলামের আস্তানায় পুলিশের  হানা দেওয়ার পরও থেমেনেই সাইফুলের ইয়াবা ব্যবসা। গত  অক্টোবর ২০ নাইক্ষ্যংছড়ি থানা ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দুই মাদক কারবারিসহ উদ্ধার হয়েছিলো ১২হাজার ২২০পিস  ইয়াবা এবং মাদক বেচা কেনার  নগত ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছিল।

ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে পালিয়ে যায় মাদক সম্রাট সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম। স্হানীয় সূত্রে জানাযায় সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সাইফুল ইসলাম  ইউপি মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর তার অবৈধ মাদক ব্যবসা বেড়েযায়। দীর্ঘদিন সে এলেকার জনপ্রতিনিধির প্রভাব কাটিয়ে মাদকের কারবার চালিয়ে গেছেন।

সর্বশেষ নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এই দুই দুঃসাহসিক অভিজানের কারণে সোনাইছড়ি এলেকায় প্রকাশ্যে আসতে পারছেনা সাইফুল ইসলাম।
সূত্রে-মতে জানাযায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখা -৬ এর ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর এক স্বরকপত্রের সূত্রে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিচালক অপারেশন ও গোয়েন্দা প্রণবকুমার নিয়োগী স্বাক্ষরিত গত ২৩ জানুয়ারি একটি বিশেষ প্রতিবেদনে স্হান পাওয়া ৭৬৪ জন ইয়াবা ব্যবাসায়ীর তালিকায় বানদরবানের ২৯ জনের নাম পাওয়াযায়। যার মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার রয়েছেন ২১ জনের নাম।

এই খানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের ৯জন, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ২জন, ঘুমধুম ইউনিয়নের ১০ জন। এই তালিকার শীর্ষ ছিলো সাইফুল ইসলাম ও হ্রাথোইচিং প্রকাশ লাতু মারমা।
এভাবে সুরুতের সাথে মিশে বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত জনপ্রতিনিধি-চাকরিজীবী -ঠিকাদার-দোকানদার- রিকশা চালাক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। সচেতন মহলের দাবি এই ভাবে মাদকব্যবসা চলতে থাকলে এবং সাইফুল মেম্বারসহ সকল মাদক ব্যবসায়ীদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে যুব সমাজ ধংশ হয়েযাবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD