সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীর কে আবাারও চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায় ইউনিয়ন বাসি -পর্ব তিন

সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীর কে আবাারও চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায় খাদের গাঁও ইউনিয়ন বাসি -পর্ব তিন

চাঁদপুর প্রতিনিধি

ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ তৃতীয় পর্ব

অপরদিকে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হবার পর পরই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের পরিবার সদস্যসহ অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়ার সময় এক মাসের সংসার খরচের নগদ টাকা নিজ পকেট থেকে দিয়েছেন। এতে করে মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এখনো এগিয়ে চলছেন। এছাড়া বাল্য বিবাহে সক্রিয় ভূমিকা রেখে বহু বাল্য বিবাহ থেকে শিক্ষার্থীদের বাচিয়ে বহু প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অপরদিকে তিনি গ্রাম্য আদালতের বাস্তবায়নের মাধ্যমে চাঁদপুর জেলার ৫টি মামলায় শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হন। ২০২১ সালে জেলার ৪৫টি ইউনিয়নের মধ্যে গ্রাম আদালত পরিচালনায় সফল হওয়ায় চেয়ারম্যান হিসেবে জেলা প্রশাসক কতৃর্ক একটি মোটর সাইকেল পুরস্কৃত হন। যাহার চাবি তুলে দিয়েছিলেন প্রাক্তন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিব জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান। শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরনে চাঁদপুর জেলার বিদ্যুতায়নে সফল ভূমিকা রাখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভাচুর্য়ালের মাধ্যমে চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীর কথোকপথনে লিপ্ত হন। তার সাথে দক্ষিণ উপজেলার বয়স্ক ও বিধবা ভাতা প্রদানে তিনি অন্যতম চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভাচুর্য়ালে যোগদান করেন। এছাড়া ইউনিয়ন অফিসকে সৌন্দর্যময় হিসেবে গড়ে তুলেছেন, সকল স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করেছেন। ইউনিয়ন ভূমির কার্যক্রমও সঠিকভাবে অব্যাহত রেখেছেন বলে ইউনিযনবাসী দুর্ভোগ থেকে মুক্তি লাভ করেছেন।
শুধু তাই নয় চেয়ারম্যান রিপন মীর মহামারি করোনার দুই বছরে ইউনিয়নবাসির জীবন সুরক্ষা রাখতে দিবা রাত্রী মাঠে কাজ করেছেন। তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে করোনা যোদ্ধা হয়ে প্রশাসনের সাথে কাজ করতে দেখা যায়। তিনি নিজ পরিবার পরিজনদের কথা না ভেবে ইউনিয়নবাসির চিন্তা করে রাঁত বে রাঁতে করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়িতে ফল ফলাদি ও চাল ডাল নিয়ে হাজির হয়েছেন প্রাশাসনিক দৃষ্টিতে তিনি অনেক সুনাম অর্জন করেন। আরো জানা যায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুইজন মারা গেলে নিজ দায়িত্বে তিনি তাদের দাফন কাফন করেছেন। ইউনিয়নবাসীর যতটুকু চাহিদা তাহা তিনি পূরণ করতে সব সময় চেষ্টা করছেন। মহামারি করোনার ছোবল যখন মানুষ বুঝতে পারেনি ঠিক তখনি তিনি ইউনিয়ন জুরে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করে সকলকে সচেতন করেছেন। যার কারনে মতলব দক্ষিণ উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের মধ্য তিনি প্রশাসন থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বলে অনেকে বলেন।
আগামী পর্ব দেখার জন্য চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD